ফ্রি QR কোড মেকার: লিংক, ফোন, WhatsApp ও Wi-Fi
স্ক্যান করলে এই নম্বরে WhatsApp চ্যাট খুলবে।
ওপরের ঘরে তথ্য লিখলে এখানে QR কোড দেখাবে।
QR কোড আপনার ব্রাউজারেই তৈরি হয়। লিংক বা পাসওয়ার্ড আমাদের সার্ভারে আসে না।
QR কোড বানাতে ওপরে ধরন বেছে নিন (লিংক, লেখা, ফোন, WhatsApp বা Wi-Fi), তথ্য লিখুন, তারপর PNG বা SVG নামান। এই কোডের কোনো মেয়াদ নেই, ওয়াটারমার্ক নেই, আর যেকোনো ফোনের ক্যামেরায় স্ক্যান হয়।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- ১ কিসের QR কোড বানাবেন তা বেছে নিন: লিংক, লেখা, ফোন, WhatsApp বা Wi-Fi।
- ২ ঘরে লিংক, নম্বর বা তথ্য লিখুন। QR কোড সাথে সাথে তৈরি হবে।
- ৩ নিজের ফোনের ক্যামেরা দিয়ে স্ক্রিনের কোডটি একবার স্ক্যান করে মিলিয়ে নিন।
- ৪ অনলাইনে ব্যবহারের জন্য PNG, আর ছাপার জন্য SVG নামান।
QR কোড কী
QR (Quick Response) কোড হলো সাদা-কালো ছোট ছোট বর্গ দিয়ে বানানো একটি চিহ্ন, যার ভেতরে লিংক, নম্বর বা লেখা লুকানো থাকে। ফোনের ক্যামেরা বা স্ক্যানার অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলে সেই তথ্য খুলে যায়। দোকানের কাউন্টারে ফেসবুক পেজের লিংক, ভিজিটিং কার্ডে WhatsApp নম্বর, রেস্টুরেন্টে মেনু, অফিসে Wi-Fi পাসওয়ার্ড, ইনভয়েসে পেমেন্টের তথ্য: এসব জায়গায় QR কোড এখন খুব চেনা জিনিস।
কোন ধরন কখন
লিংক: ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল, গুগল ম্যাপের লোকেশন বা গুগল ফরমের লিংক। লেখা: ঠিকানা, খোলার সময় বা ছোট বার্তা; বাংলা লেখাও ঠিকমতো দেখায়। ফোন: স্ক্যান করলে নম্বরটি ডায়াল করার জন্য তৈরি থাকে। WhatsApp: স্ক্যান করলে সরাসরি আপনার নম্বরে চ্যাট খোলে; ০১ দিয়ে শুরু নম্বর দিলে টুলটি নিজেই ৮৮০ যোগ করে নেয়। Wi-Fi: অতিথিরা পাসওয়ার্ড টাইপ না করেই স্ক্যান করে আপনার Wi-Fi-তে যুক্ত হতে পারেন।
ভালো QR কোডের জন্য কয়েকটি পরামর্শ
ছাপার আগে নিজের ফোনে একবার স্ক্যান করে দেখুন। ছাপার জন্য SVG ফাইল নিন; এটি যত বড় করেই ছাপুন, ঝাপসা হয় না। কোডের চারপাশে সাদা জায়গা রাখুন, আর গাঢ় রঙের ওপর হালকা রঙের কোড ছাপবেন না। কাগজে কোডটি অন্তত ২ × ২ সেন্টিমিটার রাখুন; দূর থেকে স্ক্যান করার জন্য আরও বড়। মাঝখানে লোগো বসাতে চাইলে ত্রুটি সংশোধন "সবচেয়ে বেশি" বেছে নিন, তাহলে কোডের প্রায় ৩০% ঢাকা পড়লেও স্ক্যান হবে।
এখানে বানানো কোড "স্ট্যাটিক", অর্থাৎ তথ্য সরাসরি কোডের ভেতরে থাকে। তাই কোনো সার্ভার বন্ধ হলেও কোড কাজ করবে, কোনো মেয়াদও নেই। তবে পরে লিংক বদলাতে চাইলে নতুন কোড বানাতে হবে।
নিরাপত্তার দিকটি
অচেনা জায়গায় লাগানো QR কোড স্ক্যান করার আগে সতর্ক থাকুন। প্রতারকেরা আসল কোডের ওপর নিজের কোড সেঁটে দিয়ে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। স্ক্যান করার পর ফোনে যে লিংক দেখায় তা মিলিয়ে নিন, আর কোনো পাসওয়ার্ড, পিন বা OTP চাইলে সেখানে দেবেন না। নিজের দোকানে কোড লাগালে মাঝে মাঝে দেখে নিন কেউ তার ওপর অন্য কোড লাগিয়েছে কি না।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)
QR কোড কি ফ্রি? কোনো মেয়াদ আছে?
হ্যাঁ, পুরোপুরি ফ্রি। এখানে বানানো কোড স্ট্যাটিক, তথ্য কোডের ভেতরেই থাকে। তাই কোনো মেয়াদ নেই এবং কখনো বন্ধ হবে না।
ফেসবুক পেজের QR কোড কীভাবে বানাব?
"লিংক" বেছে নিয়ে ফেসবুক পেজের পুরো লিংক (https://www.facebook.com/...) বসান। তারপর PNG নামিয়ে পোস্টার, ব্যানার বা ভিজিটিং কার্ডে ব্যবহার করুন।
Wi-Fi-এর QR কোড কীভাবে কাজ করে?
Wi-Fi-এর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে কোড বানালে অতিথিরা ফোনের ক্যামেরায় স্ক্যান করেই যুক্ত হতে পারেন। Android ও iPhone দুটোতেই এটি চলে।
বাংলা লেখার QR কোড কি কাজ করে?
হ্যাঁ। লেখা UTF-8-এ রাখা হয়, তাই আধুনিক ফোনের ক্যামেরা ও স্ক্যানার অ্যাপে বাংলা ঠিকমতো দেখায়।
PNG আর SVG-র মধ্যে কোনটি নেব?
ওয়েবসাইট, ফেসবুক বা WhatsApp-এ দিতে PNG নিন। ব্যানার, পোস্টার বা প্যাকেটে ছাপার জন্য SVG নিন; এটি যত বড় করেই ছাপুন, ঝাপসা হয় না।
ত্রুটি সংশোধন কী?
কোডের কিছু অংশ ময়লা, ছেঁড়া বা লোগোতে ঢাকা পড়লেও যাতে স্ক্যান হয়, তার জন্য বাড়তি তথ্য রাখা হয়। কম, মাঝারি, বেশি ও সবচেয়ে বেশি স্তরে যথাক্রমে প্রায় ৭%, ১৫%, ২৫% ও ৩০% ক্ষতি সামলানো যায়।
আমার লিংক বা পাসওয়ার্ড কি আপনাদের কাছে যায়?
না। QR কোড আপনার ব্রাউজারেই তৈরি হয়। আপনি যা লেখেন তা আমাদের সার্ভারে পাঠানো হয় না।